উইঘুর নির্যাতন ইস্যুতে চীনের পক্ষ নিলেন ইমরান খান

বার্তাকক্ষ প্রতিবেদন: মুসলিম দেশের প্রধানমন্ত্রী হয়েও চীনের উইঘুর মুসলিমদের প্রতি চীনা সরকারের আচরণকে সমর্থন জানিয়েছেন ইমরান খান। সেই সাথে চীনের এক দলীয় ব্যবস্থারও প্রশংসা করেছেন পাক প্রধানমন্ত্রী।

চীনা নিউ মিডিয়ার সাথে এক সাক্ষাতকারকালে একথা বলেন ইমরান খান। চীনের শিনজিয়াং প্রদেশে উইঘুরদের উপর দীর্ঘদিন ধরে নির্যাতন চালিয়ে আসছে চীন। এ বিষয়ে গেলো মাসের এক প্রতিবেদনে চীনের তীব্র নিন্দা জানিয়েছে অ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশনাল। এই পরিস্থিতিতে কোন ব্যবস্থা নেওয়ার পরিবর্তে চীন সরকারকের এই কাজে সন্তুষ্টি জানিয়েছেন ইমরান খান।

ইমরান খান বলেন, “শিনজিয়াং নিয়ে চীনা উধর্বতন কতৃপক্ষের সঙ্গে আমরা আলোচনা করেছি। উইঘুরদের নিয়ে তারা যে সব কথা বললেন তা পশ্চিমের সংবাদমাধ্যম ও সরকারগুলোর প্রকাশিত বিবরণের একেবারেই বিপরীত। চীনের সঙ্গে আমাদের সম্পর্ক অত্যন্ত শক্তিশালী। এটা বিশ্বাসের উপর তৈরি। তাই উইঘুরদের নিয়ে বেইজিং যা বলেছে তা আমরা বিশ্বাস করি।” শুধু তাই নয়, চীনের গণতন্ত্রে চেয়ে ‘এক দলীয় ব্যবস্থা ’ অনেকটাই ভালো বলেছেন ইমরান খান। অর্থাৎ, পাক প্রধানমন্ত্রী স্পষ্ট বুঝিয়ে দিয়েছেন যে উইঘুর মুসলিমদের নিয়ে শি জিনপিং প্রশাসনের বিরুদ্ধে কোনও কথা তিনি বলবেন না। এছাড়া চীনা কমিউনিস্ট পার্টির প্রশংসা করেছেন ইমরান খান।

বরাবরই চীনের সাথে ভালো সম্পর্ক রেখে আসছে পাকিস্তান। এরইমধ্যে চীন-পাকিস্তান অর্থনৈতিক করিডোর-সিপিসিতে ৬০ বিলিয়ন ডলার বিনিয়োগ করা হয়েছে। এদিকে ২০০৯ সালে শিনজিয়াং প্রদেশে সাম্প্রদায়িক হিংসা হওয়ার পর থেকেই উইঘুর মুসলিমদের উপর নির্যাতন চালিয়ে আসছে চীন।

ইউকে/এএস