উপকূলে অধিক উচ্চতার জোয়ারের শঙ্কা

বার্তাকক্ষ প্রতিবেদন: ঘূর্ণিঝড় ইয়াস ও পূর্ণিমার প্রভাবে বঙ্গোপসাগরের কক্সবাজার উপকূল উত্তাল রয়েছে। স্বাভাবিকের চেয়ে উচ্চতায় কয়েক ফুট বৃদ্ধি পেয়ে উপকূলে আছড়ে পড়ছে জোয়ারের পানি।

এতে দ্বীপ উপজেলা কুতুবদিয়ার আলী আকবর ডেইল, উত্তর ধূরুং, লেমশীখালী, মহেশখালীর ধলঘাটা, মাতারবাড়ী, সেন্টমার্টিন দ্বীপ, টেকনাফের শাহপরীর দ্বীপ ও কক্সবাজার সদরের গোমাতলীসহ উপকূলের বিভিন্ন এলাকা প্লাবিত হচ্ছে।

এদিকে উপকূল স্বাভাবিক জোয়ারের চেয়ে ৩ থেকে ৬ ফুট অধিক উচ্চতার জোয়ারে প্লাবিত হতে পারে বলে জানিয়েছে আবহাওয়া অধিদফতর।

অতি প্রবল ঘূর্ণিঝড় ইয়াস ও পূর্ণিমার প্রভাবে খুলনা, সাতক্ষীরা, বাগেরহাট, ঝালকাঠি, পিরোজপুর, বরগুনা, ভোলা, পটুয়াখালী, বরিশাল, নোয়াখালী, লক্ষ্মীপুর, ফেনী চাঁদপুর ও চট্টগ্রাম জেলাসমূহের নিম্নাঞ্চল স্বাভাবিক জোয়ারের চেয়ে ৩ থেকে ৬ ফুট অধিক উচ্চতার জোয়ারে প্লাবিত হতে পারে।

মঙ্গলবার দিবাগত (২৫ মে) রাতে আবহাওয়াবিদ মো. বজলুর রশিদ স্বাক্ষরিত সর্বশেষ এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানায় আবহাওয়া অধিদফতর।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, উত্তর-পশ্চিম বঙ্গোপসাগর ও তৎসংলগ্ন এলাকায় অবস্থানরত অতি প্রবল ঘূর্ণিঝড় ‘ইয়াস’ আরও উত্তর-পশ্চিম দিকে অগ্রসর হয়ে বর্তমানে চট্টগ্রাম সমুদ্রবন্দর এলাকা থেকে ৫১৫ কিলোমিটার দক্ষিণ-পশ্চিমে, কক্সবাজার সমুদ্রবন্দর থেকে ৫০০ কিলোমিটার ও মংলা সমুদ্রবন্দর থেকে ৩৪৫ কিলোমিটার দক্ষিণ-দক্ষিণপশ্চিমে এবং পায়রা সমুদ্রবন্দর থেকে ৩৬৫ কিলোমিটার দক্ষিণ-দক্ষিণপশ্চিমে অবস্থান করছে।

ঘূর্ণিঝড়টি আরও উত্তর-উত্তরপশ্চিমে অগ্রসর হয়ে বুধবার (২৬ মে) দুপুর নাগাদ ভারতের উত্তর উড়িষ্যা-পশ্চিমবঙ্গ উপকূল অতিক্রম করতে পারে। চট্টগ্রাম, কক্সবাজার মংলা ও পায়রা সমুদ্র বন্দরসমূহকে ৩ নম্বর স্থানীয় সতর্ক সংকেত দেখাতে বলা হয়েছে।

আবহাওয়া অধিদপ্তরের আবহাওয়াবিদ বজলুর রশীদ গণমাধ্যমকে বলেন, ঘূর্ণিঝড়টি কিছুটা গতি পরিবর্তন করায় এর প্রান্তীয় অংশ বাংলাদেশের খুলনা ও সাতক্ষীরা এলাকার ওপর দিয়ে যেতে পারে। ফলে ঝোড়ো হাওয়ার গতি ও জলোচ্ছ্বাসের উচ্চতা বেড়ে যেতে পারে।

ইউকে/এসএম